এদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করাটাই তো ছিল আমার বাবা বঙ্গবন্ধু ‍মুজিবের একমাত্র লক্ষ্য মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আজকে আমি সবচেয়ে খুশি যে এত অল্প সময়ে এতগুলো পরিবারকে ঠিকানা দেওয়া হচ্ছে। এই শীতের মধ্যে সকলে ঘরে অন্তত থাকতে পারবে। আজকে যা দেওয়া হয়েছে এরপর খুব শিগগিরই আরো একলাখ ঘরের কাজ শুরু হবে।

শনিবার (২৩ জানুয়ারি) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও ঘর প্রদান কর্মসূচি উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রায় ৭০ হাজার পরিবারকে পাকা ঘর প্রদান করে তিনি বলেন, আজ আমার জন্য আনন্দের দিন। যেসব মানুষের ঠিকানা ছিল না, ঘর ছিল না, তাদের মাথা গোজার ঠাঁই দিতে পারছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মানুষের কথাই ভাবতেন। আমাদের পরিবারের লোকদের চেয়ে তিনি গরীব অসহায় মানুষদের নিয়ে বেশি ভাবতেন এবং কাজ করেছেন। এই গৃহ প্রদান কার্যক্রম তারই শুরু করা।’

এটাই মুজিববর্ষের সব থেকে বড় উৎসব উল্লেখ করে তিনি বলেন, সবার মানসম্মত জীবন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে জাতির পতিা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মা শান্তি পাবে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন বলেন, প্রতিটি শ্রেণির পেশার মানুষের জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সবাই যেন মানসম্মত ও সুন্দরভাবে বাঁচতে পারে। আর মুজিববর্ষে আমাদের লক্ষ্য একটি মানুষও ঠিকানাবিহীন থাকবে না বা গৃহহারা থাকবে না। যতটুকু পারি হয়ত আমাদের সম্পদের সীমাবদ্ধতা আছে, তাই হয়ত এখন সীমিত আকারে করে দিচ্ছি, যাহোক একটা ঠিকানা আমি সমস্ত মানুষের জন্য করে দিবো। কারণ আমি বিশ্বাস করি, যখন এ মানুষগুলো ঘরে থাকবে আর আমার বাবা-মা তারা তো সারাটা জীবন ত্যাগ স্বীকার করেছেন দেশের মানুষের জন্য তাদের আত্মা শান্তি পাবে। লাখো শহীদ, যারা এদেশের স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন তাদের আত্মা শান্তি পাবে।

এ সময় খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলা, চাপাইনবাবগঞ্জ সদর, নীলফামারীর সৈয়দপুর ও হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলা লাইভে যুক্ত ছিল। তাছাড়াও অনলাইনে যুক্ত হয় দেশের সব উপজেলা।