করোনার সংক্রমণের অধিক ঝুঁকি বিবেচনায় দেশের বিভিন্ন জেলায় শুরু হয়েছে জোন ভিত্তিক লকডাউন।

এরইমধ্যে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে নারায়ণগঞ্জ ও কক্সবাজারের কিছু এলাকা এবং চাঁদপুরের সব উপজেলা। লকডাউন ঘোষণা করা এসব এলাকায় খাদ্য সরবরাহ ও টেলি মেডিসিন চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করবে প্রশাসন।

নারায়ণগঞ্জে এ পর্যন্ত করোনায় মারা গেছেন ৮৫ জন। আক্রান্ত সাড়ে তিনহাজার। প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শহরের আমলাপাড়া, জামতলা ও ফতুল্লার রূপায়ন টাউনকে রেড জোন ঘোষণা করা হয়। এই তিন এলাকা আগামী ২০ দিন থাকবে লকডাউনে।
চাঁদপুরের ৮ উপজেলার সব কটিতেই করোনার ঝুঁকি বেশি- বলছেন সিভিল সার্জন। যে কারণে পুরো জেলাকেই রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সংক্রমণ ঝুঁকির তালিকায় ৬ষ্ঠ স্থানে কক্সবাজার। শুক্রবার থেকে লকডাউনে পৌরসভার ১০টি ওয়ার্ড। ২০ জুন পর্যন্ত যা বহাল থাকবে।

রেডজোনে তালিকাভুক্ত এলাকায় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া যাতায়াত করা যাবে না। থামবে না গণপরিবহন। বন্ধ থাকবে কাঁচাবাজার। লকডাউন কার্যকরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দেয়া হয়েছে নির্দেশনা।

আক্রান্তের হিসাবের ভিত্তিতে রেড জোন থেকে ইয়লো এবং পরবর্তিতে গ্রিন জোনে নামিয়ে আনা হবে।