রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ার‍ম্যান মো. সাহেদের অস্ত্র ও মাদক মামলা এবং জেকেজির ডা. সাবরিনার প্রতারণার মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে। দ্রুততম সময়ে এ তিন মামলার অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেয়া হবে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ অতিরিক্ত কমিশনার আবদুল বাতেন।

বুধবার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান।

তিনি জানান, সাহেদের বিরুদ্ধ করোনা জালিয়াতি মামলার তদন্তভার র‍্যাবকে হস্তান্তর করা হয়েছে। আর অস্ত্র ও মাদক মামলার তদন্ত করবে ডিবি। অস্ত্র মামলায় এরইমধ্যে ২ জন সাক্ষী জবানবন্দি দিয়েছেন। এই মামলার কার্যক্রমও প্রায় শেষ। এছাড়া সাহেদের বিরুদ্ধে ২০টির বেশি মামলা আছে বলেও জানান তিনি।

জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনার মামলা সম্পর্কে আব্দুল বাতেন বলেন, চেয়ারম্যান নয়, আহ্বায়ক হিসেবে ডা. সাবরিনা চৌধুরীর সম্পৃক্ততা পেয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। আশা করছি এ মামলায় আমরা দ্রুতই চার্জশিট দিতে পারব।

গ্রেপ্তারের আগে বিভিন্ন মিডিয়ায় ডা. সাবরিনা নিজেকে জেকেজির চেয়ারম্যান পরিচয় দিলেও ডিবির তদন্তে তা পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।

আব্দুল বাতেন বলেন, চেয়ারম্যান হিসেবে কোনো ডকুমেন্ট আমরা পাইনি। তবে আহ্বায়ক হিসেবে সম্পৃক্ত থাকার কাগজ পাওয়া গেছে।