স্টাফ রিপোর্টার : দেশের কিছু নদনদীর পানি কমতে শুরু করলেও অপরিবর্তিত রয়েছে বন্যা পরিস্থিতি। লালমনিরহাটে তিস্তার পানি কমছে।তবে ব্যারেজের সব গেট খুলে দেয়ায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ৪ উপজেলার ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ।

কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র ও ধরলা নদীর পানি কমলেও বিভিন্ন এলাকায় নদী ভাঙন তীব্র হয়েছে। ভাঙনের মুখে সারডোব, মোঘলবাসা ও নুনখাওয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ। এছাড়া, জয়কুমর, থেতরাই, কালিরহাটসহ আরো ১২টি স্পটে ভাঙনে ভিটেমাটি হারিয়েছে ৫ শতাধিক পরিবার।

এদিকে, ২৪ ঘন্টায় পদ্মার গোয়ালন্দ পয়েন্টে ১২ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৩ সে.মি ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। ফরিদপুরে তিনটি উপজেলার নিম্নাঞ্চলের ৫০টি গ্রামে পদ্মার পানি প্রবেশ করেছে। গত ২৪ ঘন্টায় যমুনার নদীর পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৪৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে এবং কাজিপুর পয়েন্টে ৭০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

টাঙ্গাইলে পানিবন্দি ৪ উপজেলার প্রায় লক্ষাধিক মানুষ। গত ১২ ঘন্টায় পানি স্থির থাকলেও গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। চার উপজেলায় ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। রাস্তা, বাঁধ ও উঁচু স্থানে আশ্রয় নেয়া মানুষ ভুগছে বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সংকটে।

এছাড়াও, বন্যার পানিতে আমন বীজতলা ,পাটক্ষেত, চীনাবাদামসহ শাবসবজির প্রায় চার হাজার হেক্টর জমি পানিতে ডুবে রয়েছে।