বাস ভাড়া ৮০ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ। একে জনবিরোধী সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করছেন অনেকে। তাদের আশঙ্কা, ভাড়া বাড়ানোর পরও বাসে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা হবে না। এতে প্রতিদিন যাতায়াতকারীরা করোনা ঝুঁকিতেই থাকবে।

সোমবার থেকে চালু হচ্ছে বাস। রাজশাহীতে খুলতে শুরু করেছে কাউন্টারগুলো। সামাজিক দূরত্ব মেনে চলছে টিকিট বিক্রি। সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ার আগেই ৮০ শতাংশ বেশি ভাড়ায় টিকিট দেয়া হচ্ছে।

আগে রাজশাহী-ঢাকা রুটে নন-এসি বাস ভাড়া ৪৬০ ও এসিতে ছিল ১০০০ টাকা। এখন তা রাখা হচ্ছে ৮৬০ ও ১৮০০ টাকা। ভাড়া এত বেশি বাড়ায় অসন্তুষ্ট যাত্রীরা।

বিআরটিএ-র প্রস্তাবে ক্ষোভ জানিয়েছে বগুড়ার মানুষ। তারা বলছেন, ভাড়া বাড়লেও অর্ধেক যাত্রী পরিবহন নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে এসি বাসের ভাড়া ছিল ৭০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত। কিন্তু যাত্রীদের এখন গুণতে হবে ১২৬০ থেকে ২১৬০ টাকা। যাত্রীদের জিম্মি না করে সরকারকে ভর্তুকি দেয়ার দাবি চট্টগ্রামবাসীর।

খুলনাবাসীর দাবি, করোনা পরিস্থিতিতে বেশিরভাগ মানুষই সংকটে রয়েছে। এসময় বাসভাড়া বাড়ানো অযৌক্তিক।

তবে বাস মালিকরা বলছেন, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে অর্ধেক আসন ফাঁকা রাখতে হচ্ছে, সেক্ষেত্রে ভাড়া বাড়ানোর বিকল্প নেই।

সরকার সীমিত আকারে গণপরিবহন চালুর ঘোষণা দেওয়ার পর বাস-মিনিবাসে ৫০ শতাংশ আসন ফাঁকা রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। এ পরিস্থিতিতে পরিবহনমালিকেরা লোকসান এড়াতে ভাড়া বাড়ানোর দাবি জানান।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে আজ সকালে বিআরটিএ কার্যালয়ে সংস্থাটির স্থায়ী ব্যয় বিশ্লেষণ কমিটির বৈঠকে রাজধানী ঢাকাসহ দূরপাল্লার পথের বাসের ভাড়া ৮০ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়। ১ জুন থেকে তা কার্যকর হবে।