কুয়েতে সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে এখন পর্যন্ত দেশটির সরকার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকাকে কিছু জানায়নিই বলে দাবি করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। এদিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সর্ম্পকিত সংসদীয় কমিটি জানিয়েছে, আগামী বৈঠকে এ সংসদ সদস্য সর্ম্পকে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করতে মন্ত্রণালয়কে বলা হবে।

মানব ও অর্থ পাচারের অভিযোগে শনিবার লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য শহিদ ইসলাম পাপুল কুয়েতে আটক হন।

পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আটক নয়, কুয়েত সরকার ব্যবসায়িক বিষয়ে আলোচনার জন্য শহিদ ইসলাম পাপুলকে সিআইডিতে ডেকেছে। তবে তার গ্রেপ্তারের বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায় ই।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, সংসদ সদস্যদের কূটনৈতিক বা লাল পাসর্পোট পাবার সুযোগ থাকলেও সে সুবিধা নেননি পাপুল। কুয়েত দূতাবাসের কাছ থেকে তাঁর বিষয়ে খোঁজ নেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে এ ঘটনাকে অনাকাঙ্ক্ষিত বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সর্ম্পকিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ফারুক খান। তিনি মন্তব্য করেন একজন সংসদ সদস্যের কর্মকাণ্ড সংসদ ও দেশকে বিব্রত করেছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে কুয়েতের গণমাধ্যম পাপুলের বিরুদ্ধে মানব ও অর্থপাচারের অভিযোগ তুললে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছিলো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।