স্টাফ রিপোর্টার :  রাজধানীর ডেমরার কোনাপাড়ায় অটোবাইক, ইজি বাইক,

সি.এন.জি, ব্যাটারী চালিত অটো রিক্সা, লেগুনা, মিনিট্রাক, পিকআপ গাড়ী
হতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের রশিদ দ্বারা চাঁদা আদায় করে আসছে
একটি চাঁদাবাজ মহল। ২৪শে আগস্ট রোজ সোমবার সকাল ১০ ঘটিকায় সময়
চাঁদা বন্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন গাড়ীর ড্রাইভারা। নানা রঙের
ইস্টিকার ব্যবহারের মধ্যে দিয়ে চাঁদা আদায় করছে চাঁদাবাজ মহল।
ড্রাইভারদের বক্তব্য আমরা যা রোজগার করি তা হতে দৈনিক তিনশত টাকা গাড়ী প্রতি চাঁদা বাজাদের
চাঁদা দিতে হয় । আমরা চাঁদাবাজদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে
পরেছি। চাঁদা আদায়কারী মোঃ আরিফ, মোঃ হিরা, মোঃ রনি, মোঃ রাজু সহ
কয়েকজন সংবাদ কর্মীদের জানায় আমরা মোঃ সাহাবুদ্দিন এর নির্দেশেই চাঁদা
আদায় করছি। সাহাবুদ্দিন ও রাকিব এরা ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন হতে
চাঁদা আদায়ের অনুমতি পত্র এনেছেন ঐ অনুমতি পত্র সাপেক্ষেই চাঁদা আদায়
করা হচ্ছে। পরিবহন মালিক ও স্থানীয়রা বলেন- ব্যাটারী চালিত অটো বাইক
হাইওয়ে চলাচল নিষিদ্ধ করেছেন হাই কোর্ট। কিন্তু সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ কি
করে ঐ পরিবহনের চাঁদা আদায়ের অনুমতি পত্র দিয়ে থাকেন? আমাদের
ধারণা সিটি কর্পোরেশনের অনুমতি পত্রটাই ভূয়া। চাঁদা বাজরা মনগড়াভাবে
কম্পিউটারে অনুমতি পত্র বানিয়েই চাঁদা আদায় করে আসছে। এ বিষয়ে চাঁদা
বাজদের মেইন গডফাদার সাহাবুদ্দিন এর সাথে ফোনে কথা বললে তিনি জানায়
আমাকে চাঁদা আদায়ের অনুমতি দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের

কমকর্তা বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস উপ-সচিব মহাব্যবস্থাপক (পরিবহন) এবং
অনুমতি পত্রটিতে সাক্ষর করেন গত ২৮/০৭/২০২০ইং। এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ
সিটি কর্পোরেশনের ৬৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ মাসুদুর রহমান বাবুল
মোল্লার সাথে ফোনে জানতে চাইলে তিনি জানায় কোনাপাড়ায় সিটি
কর্পোরেশনের রশিদ দিয়ে অটো বাইক সহ কিছু পরিবহন হতে চাঁদা আদায়
করা হচ্ছে। এ বিষয়ে আমি বাধা দিয়েছিলাম। পরবর্তীতে আমার কাছে একটি
অবগত পত্র জমা দিয়েছেন চাঁদা উত্তোলনকারীরা। এ বিষয়ে ডেমরার টি.আই
মোঃ সাইফুল ইসলামের কাছে ফোনে জানতে চাইলে তিনি জানায় আমি
চাঁদাবাজির বিষয়টি আমার জানা নাই। আমি সিটি কর্পোরেশন থেকে চাঁদা
আদায়কৃত যে অনুমতি পত্র এনেছেন চাঁদাবাজরা তা আমি এখনো পযর্ন্ত দেখি