স্টাফ রিপোর্টার : লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশি হত্যার ঘটনায় এ পর্যন্ত ২৬ মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৬১ জনকে। এখন লিবিয়ায় পাঠানোর রুট ও পাচারকারীদের তথ্য সংগ্রহ করছে পুলিশ। চলছে পেছন থেকে মদদ দেয়া ব্যক্তিদের ধরতে অভিযান। রামরু বলছে, মানবপাচার মামলায় ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায় প্রভাবশালীরা। এতে পাচার বন্ধে সাফল্য আসছে না।

চাকরির প্রলোভনে, অবৈধভাবে লিবিয়ায় পাড়ি জমানো ৩৮ বাংলাদেশির ওপর ২৮ মে হামলা হয় মিজদাহ শহরে। এসময় গুলি করে হত্যা করা ২৬ জনকে আহত ১১ জন।

এরপর থেকেই দেশে নড়চড়ে বসে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। শুরু হয়ে লিবিয়ায় পাচারকারীদের ধরতে অভিযান।

র‍্যাব, সিআইডি ও গোয়েন্দা পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। ২৬ মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন ৬১ জন। এর মধ্যে সিআইডি ৩১, ডিবি ১৪, র‍্যাব ১২ ও জেলা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে ৪ জনকে।

তদন্ত বলছে, বাংলাদেশ থেকে লিবিয়ায় পাঠাতে ব্যবহার করা হয় ৪টি রুট। দালালরা দুবাই, জর্ডান ও লিবিয়ায় ক্যাম্প স্থাপন করে সেখান চাকরি প্রত্যাশীদের ইউরোপ পৌঁছে দেয় ৪-৫টি দালাল চক্র। এর সঙ্গে নানা পর্যায়ে যারা জড়িত, তালিকা করে তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এদিকে অভিবাসী গবেষণা প্রতিষ্ঠান– রামরু বলছে, মানবপাচারে ইমিগ্রেশন, ভিসা প্রসেসিং সেন্টারসহ নানা প্রতিষ্ঠানের কিছু অসাধু কর্মকর্তা সহায়তা করছে পাচারকারীদের। আর তাদের মদদ দিচ্ছে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি। রামরুর দাবি, বার বারই তদন্তে ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে তারা।

মানবপাচার বন্ধে তাই দেশীয় নজরদারির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে এক যোগে কাজ করার তাগিদও দিচ্ছে রামরু।