স্টাফ রপোর্টারঃরাজধানী ডেমড়ার স্বনামধন্য স্কুল সামসুল হক খাঁন স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক হারুন অর রশীদের নামে এবার প্রতারনার অভিযোগ করেছেন কালীগঞ্জ থানায় কর্মরত উপ-পুলিশ ইন্সপেক্টর মিজানুর রহমান।জানাগেছ পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী-সন্তান মাতুয়াইল এলাকার রহমত পুরে ভারাথাকেন,কারন সেখানে ভাল মানসম্মত শিক্ষা প্রতিস্টান আছে,সেখান থেকেই তার ছেলে মেয়দের সুশিক্ষায় তার পরিবার শিক্ষিত করতে চান।এজন্য তিনি ও তার স্ত্রীর সারাজীবনের সঞ্চয় দিয়ে একটি ফ্ল্যাট কিনতে মনস্থির করেন।ফ্ল্যাট কিনতে নানা জনের সাথে আলোচনা ও খোজ নেয়ার এক পর্যায়ে পরিচয় হয় সামসুল হক খাঁন স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক হরুনের সাথে।হারুন পুলিশ কর্মকর্তাকে এলাকার ইউনিটি পার্ক নামক দশতলা একটি ভবনের তিনলায় রেডি একটি ফ্ল্যাট বিক্রয়ের প্রস্তাব দেয়।এতে শিক্ষক হারুনের দেখানো ফ্ল্যাটটি পুলিশ কর্মকর্তাসহ তার স্ত্রীর পছন্দ হলে তারা উভয়ে ক্রয়-বিক্রয়ে যেইদিন সম্মত হয় সেই দিনই পুলিশ কর্মকর্তা স্থানীয় ডাচবাংলা বুথ হতে উত্তোলন করে কিছু টাকা হাত বায়না করে শিক্ষক হারুন কে।এরই ধারাবাহিকতায় পুলিশ কর্মকর্তার কাছ থেকে দফায় দফায় কয়েক লক্ষ টাকা নেন শিক্ষক হারুন।এর কিছুদিন পর শিক্ষক হারুন কে ফ্ল্যাটটি রেজিস্ট্রি করার জন্য চাপ দিলে বেড়িয়ে আসে মূল ঘটনা,জানা যায় একই ফ্ল্যাট দেখিয়ে শিক্ষক হারুন আরো কয়েক ব্যক্তির কাছ থেকেফ্ল্যাটটি বিক্রির কথা বলে টাকা নিয়ছে।শিক্ষক হরুনের প্রতারনার বিষয়টি সকলেই জেনে যায়।ফ্ল্যাট দেখিয়ে মানুষকে প্রতারনার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেয়াই তার মূল কাজ।সামসুল হক খাঁন স্কুলের দিবা শাখার নবম শ্রেনীর ইনচার্জ হারুন অর রশিদ এভাবেই প্রতারনার জাল বিছিয়ে মানুষের অর্থ আত্মসাত করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যাচ্ছে।এ বিষয়ে শিক্ষক হারুন অর রশিদের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান পুলিশ কর্মকর্তার কাছ থেকে ফ্ল্যাট বিক্রি বায়নাবাবদ টাকা নেয়া হয়েছিল কিন্তু সে টাকা পরিশোধ করে দেয়া হয়ছে।