দ্বিতীয় দফায় ৬০ পৌরসভায় ভোট গ্রহণ চলছে। সকাল ৮ টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। ভোটারদের উপস্থিতি সকালের দিকে কম থাকলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে উপস্থিতি বাড়তে থাকে ভোটারদের। 

শনিবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়, চলবে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত। ৬০ পৌরসভার মধ্যে ২৮ পৌরসভায় ইভিএম ও ৩২টিতে ব্যালটের মাধ্যমে ভোট নেওয়া হচ্ছে।

শুক্রবার (১৫ জানুয়ারি) ২৮ টি পৌরসভায় ইভিএম মেশিন পাঠানো হয়েছে। বাকি ৩২টি পৌরসভায় কাগজের ব্যালটে ভোট হবে। নির্বাচন উপলক্ষে ভোটকেন্দ্র সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

ইসি সূত্র থেকে জানা যায়, এবারের দ্বিতীয় ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে জন্য ৬১টি পৌরসভার তফসিল ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়র প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। ফলে আজ দ্বিতীয় ধাপে ৬১টির বদলে ৬০টি পৌরসভায় ভোট নেওয়া হবে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, মেয়র পদে ২১১ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২ হাজার ২৩২ জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৭২৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সিরাজগঞ্জের বেলকুচি ও নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ ছাড়া বাকি ৫৪টি পৌরসভায় বিএনপির প্রার্থীরা মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সবকটি পৌরসভায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী রয়েছেন। অনেকগুলো পৌরসভায় দলটির বিদ্রোহী প্রার্থীরাও মাঠে রয়েছেন। নির্বাচনে বড় দুই দল ছাড়াও জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপি, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন-এনডিএম এবং ন্যাশনাল পিপলস পার্টি-এনপিপি’র প্রার্থীরা অংশ নিয়েছেন। প্রথম ধাপে ৫টি রাজনৈতিক দল অংশ নিয়েছিল।

ইসি সূত্র আরও জানায়, সবগুলো পৌরসভায় পুলিশের একটি স্ট্রাইকিং ফোর্স সহ প্রতি তিন ওয়ার্ডে একটি করে মোবাইল ফোর্স  ও একটি করে র‍্যাবের টিম টহল দিচ্ছে। এক লাখের বেশি ভোটারবিশিষ্ট পৌরসভায় চার প্লাটুন বিজিবি, ৫০ হাজার থেকে এক লাখ ভোটার পর্যন্ত তিন প্লাটুন এবং ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার ভোটারবিশিষ্ট পৌরসভায় দুই প্লাটুন এবং ১০ হাজারের কম ভোটারের পৌরসভায় এক প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

এর আগে গত ৩ ডিসেম্বর দ্বিতীয় ধাপে ৬১টি পৌরসভা নির্বাচেনর তফসিল ঘোষণা করে ইসি। তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ছিল গত ২০ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হয় ২২ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ছিল ২৯ ডিসেম্বর।