স্টাফ রিপোর্টার : দেশে করোনা শনাক্ত লাখ ছাড়িয়েছে। তাদের ৮৫ শতাংশেরই চিকিৎসা হয়েছে বা হচ্ছে বাসায়। এমন রোগীদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনের পরামর্শ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের। বলছেন, এতে একদিকে কমবে রোগীদের মৃত্যুঝুঁকি, অন্যদিকে কমবে সংক্রমণও।

তবে ডায়াবেটিস, হৃদরোগসহ অন্য জটিলতা না থাকা কভিড রোগীদের বাসায় থেকেই চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের।

দেশে প্রায় সাড়ে তিন মাসে করোনা শনাক্ত লক্ষাধিক। তাদের ১৫ শতাংশ চিকিৎসাধীন সারা দেশের হাসপাতালে। আর বাকিদের চিকিৎসা চলছে বাসায়। শনাক্তদের মধ্যে যাদের লক্ষণ তীব্র নয় বা অন্য জটিল রোগ নেই, তাদের বাড়িতে আইসোলেশনে থেকেই চিকিৎসার পরামর্শ দিচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

শয্যার অপ্রতুলতা এবং অনীহার কারণেও হাসপাতালমুখী হচ্ছেন না বেশিরভাগই। তবে বাসায় থাকা এসব রোগীদের চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। অবশ্য এমন রোগীদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনের পক্ষে মত তাদের।

দেশে প্রথম করোনা শনাক্ত হয় আটই মার্চ। এরপর দীর্ঘ সময়েও পর্যাপ্ত সংখ্যক আইসোলেশন সেন্টার স্থাপন করা সম্ভব হয়নি।

দেশে প্রতিনিয়ত শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় দেরি না করে এখনই জায়গা নির্দিষ্ট করে এ ধরণের সেন্টার খোলার পরামর্শ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের।

হাসপাতালগুলোতে শয্যাসংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

দেশে গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৪০ হাজার ১৬৪ জন করোনা আক্রান্ত। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৩৯ দশমিক ২৬ শতাংশ।