দীর্ঘ ৫ বছর ধরে অসুস্থ হয়ে মানবতার জীবন-যাপন করছেন ফরিদপুরের সালথা উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বড়খারদিয়া গ্রামের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহিদুজ্জামান সাহেব খান। তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সাহায্য কামনা করেছেন।

সরোজমিনে গিয়ে জানা যায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহিদুজ্জামান সাহেব খান ২০১৬ ইং সাল থেকে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে ঘরে পড়ে আছেন। তার একটি কন্যা ও একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। সন্তান দুজন লেখাপড়া করেন। তাদের লেখাপড়ার জন্য প্রতি মাসে ৭/৮ হাজার টাকা খরচ হয়। প্রতি মাসে ৪/৫ হাজার টাকার ঔষধ লাগে। তিনি প্রতি মাসে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পান ১২ হাজার টাকা। সন্তানদের লেখাপড়া খরচ ও ঔষধ খরচ বাবদ প্রতি মাসে যে টাকা ব্যায় হয় তাতে সংসার চলে কোন মতে। সংসারে উপার্জন করার মতো অন্য কোন অবলম্বন না থাকায় উন্নত চিকিৎসা হচ্ছে না বলে দাবী মুক্তিযোদ্ধা সাহেব খানের পরিবারের।

বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহেব খানের স্ত্রী বলেন, ৫ বছর ধরে আমার স্বামী অসুস্থ হয়ে ঘরে শুয়া। জমি-জমা যা ছিলো সব শেষ করে স্বামীর চিকিৎসা করাইছি। তার শারীরিক অনেক সমস্যা দেখা দিয়েছে। শ্রবণ শক্তি কমে গেছে। কানের পর্দা নাই। ইন্ডিয়া থেকে কানের জন্য অপারেশন করানো প্রয়োজন। তাতে অনেক টাকা লাগবে। প্রতিমাসে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা যা পাই তাতে আমার দুটি সন্তানের লেখাপড়া ও তার ঔষধ বাবদ খরচ হয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, সংসার চালাতে অনেক কষ্ট হয়। আমার সন্তানদের লেখা-পড়া ও আমার স্বামীর উন্নত চিকিৎসার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আর্থিক সাহায্য কামনা করছি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহেব খান বলেন, ইতোমধ্যে মাননীয় সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী এমপি ও সালথা উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ ওয়াদুদ মাতুব্বারের কাছে সহযোগিতা কামনা করছি।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পিতা বঙ্গবন্ধু’র ডাকে অস্ত্র ধরে যুদ্ধ করেছি। দেশ স্বাধীন করেছি। স্বাধীন দেশে সেই সেখ হাসিনা আমাদের অনেক সম্মান দিয়েছেন। তাই আমি আমার উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য কামনা করছি।