গত কয়েক দিনের শৈত্য প্রবাহের সঙ্গে ঘন কুয়াশার দাপট বাড়ায় স্থবির হয়ে পড়েছে লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়ন ও ২টি (লালমনিরহাট, পাটগ্রাম) পৌরসভার জনজীবন।

মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) দেখা গেছে, কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে পুরো লালমনিরহাট। ঘন কুয়াশার কারণে মধ্যরাত থেকেই ব্যাহত হচ্ছে যানবাহন চলাচল। ভোর থেকে কর্মমূখী সাধারণ মানুষকে কাজে যেতে বেগ পেতে হচ্ছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কমলেও সূর্যের দেখা মেলেনি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের অনেকেই ভোরে বাড়ি থেকে বের হন কাজের উদ্দেশ্যে। এছাড়াও ফজরের নামাজের পর থেকেই লালমনিরহাট জেলা শহর ও আশেপাশের সড়কগুলোতে অনেক মানুষ হাঁটতে বের হন। ঘন কুয়াশা ও শীতের তীব্রতার কারণে এই সব স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে।

ফুলগাছ গ্রামের হরিপদ রায় হরি বলেন, আমি প্রতিদিনই ভোরে হাঁটার জন্য বিভিন্ন রাস্তা দিয়ে যাই। ভোরে কুয়াশার জন্য গাড়ি চলতে পারছে না। ২০ থেকে ২৫ হাত দূরে কি আছে তা দেখা যায় না। হেড লাইট জ্বালিয়ে আস্তে আস্তে গাড়ি চলছে। এছাড়া শীতের তীব্রতাও বেশি।

রাজারহাট আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি জানুয়ারি মাসের প্রথম দিক থেকে লালমনিরহাট জেলা সদর ছাড়াও আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম উপজেলার উপর দিয়ে শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। সেই সাথে গত ২/৩ দিন শীতের তীব্রতাও অনেকাংশে বেড়েছে। চলতি সপ্তাহে শৈত্য প্রবাহ বাড়তে পারে।